প্রযুক্তি

মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম

মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম
মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম
এই সংবাদটি শুনুন বাংলা
1 মি.

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক ২০২৬ অনুযায়ী, মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে ৬৭.৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বে ৬৭তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

মোবাইল অ্যাপ তৈরির সূচকে বিশ্বে ৬৭তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক (গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স—জিআইআই) অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ৬৭.৬। প্রযুক্তি খাতে দেশের সক্ষমতার একটি দিক তুলে ধরেছে এই অবস্থান।

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান

প্রথম আলোর ২০ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (ডব্লিউআইপিও) প্রকাশিত বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক ২০২৬-এ বাংলাদেশ সামগ্রিকভাবে ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোবাইল অ্যাপ তৈরির সূচকে ৬৭.৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম।

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে একটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি অবকাঠামো, জ্ঞান সৃষ্টি, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করা হয়। তাই মোবাইল অ্যাপ তৈরির সূচক এবং সামগ্রিক উদ্ভাবন সূচকের অবস্থান এক বিষয় নয়।

মোবাইল অ্যাপ তৈরির সূচক কী নির্দেশ করে

ডব্লিউআইপিওর সূচকে মোবাইল অ্যাপ তৈরির মূল্যায়ন শুধু কতটি অ্যাপ তৈরি হয়েছে, তা দিয়ে নির্ধারিত হয় না। এই সূচকে একটি দেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় মোবাইল অ্যাপের বৈশ্বিক ডাউনলোডের পরিমাণ বিবেচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে অ্যাপের ডেভেলপার বা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর কোন দেশে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

ডব্লিউআইপিওর প্রকাশিত পদ্ধতিগত তথ্য অনুযায়ী, এই সূচকের হিসাবের জন্য সেন্সর টাওয়ারের তথ্য, বিভিন্ন প্রকাশ্য উৎস এবং গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের তথ্য ব্যবহার করা হয়। ফলে এই র‍্যাঙ্কিংকে দেশের সব অ্যাপ ডেভেলপারের দক্ষতা বা মোট অ্যাপের সংখ্যার সরাসরি পরিমাপ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

মোবাইল অ্যাপ এখন আর শুধু যোগাযোগ বা বিনোদনের মাধ্যম নয়। ব্যবসা, শিক্ষা, আর্থিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজেও অ্যাপের ব্যবহার রয়েছে। এ কারণে অ্যাপ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছানোর সক্ষমতা প্রযুক্তি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তবে একটি সূচকে ভালো অবস্থান অর্জন করলেই পুরো প্রযুক্তি খাত সমানভাবে এগিয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অ্যাপের মান, নিরাপত্তা, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সক্ষমতার মতো বিষয়ও বিবেচনা করা জরুরি।

বাংলাদেশের মোবাইল অ্যাপ তৈরির সূচকে ৬৭তম অবস্থান তাই একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দেশের অবস্থান বোঝার সুযোগ দেয়। একই সঙ্গে প্রযুক্তি খাতের সামগ্রিক অগ্রগতি মূল্যায়নে অন্যান্য সূচক ও তথ্যও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার (WIPO) গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-সংক্রান্ত তথ্য।

Comments

You must be logged in to post a comment.